রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে একাধিক স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের সঙ্গে খাগড়াছড়ির যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আটকা পড়েছেন পর্যটকবাহী যানবাহনগুলো।
পাহাড় ধস
কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে টানা ভারী বর্ষণে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পাহাড় ধস ও জলাবদ্ধতায় অন্তত ৮০০ ঝুপড়ি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।
কক্সবাজারের রামুতে পাহাড়ধসে সিরাজুল হক (২৮) নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বান্দরবানের লামায় ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া, উপজেলা সদরের মিরিঞ্জা রেঞ্জ ও শুখিয়া দুখিয়া ভ্যালিতে অবস্থিত পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
টানা দুদিনের ভারী বর্ষণে বান্দরবানে পাহাড় ধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে মাইকিং করছে স্থানীয় প্রশাসন।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে চট্টগ্রামে সকাল থেকে কখনও গুঁড়ি গুঁড়ি আবার কখনও মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন পেশাজীবী মানুষ।
চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে মাটি চাপা পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শিশু দুটির নাম নোহান (১১) ও মেজবাহ (১২)। এ ঘটনায় আহত আরও কয়েকজন শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
কক্সবাজারের সদর উপজেলা এবং উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পৃথক পাহাড় ধসে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের দক্ষিণ ডিককুল গ্রামে
ভারী বর্ষণে কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় পাহাড় ধসে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে।
উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় গত সপ্তাহে আবর্জনার পাহাড় ধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩৫-এ পৌঁছেছে। তাদের মধ্যে ১২ জন বয়সে নবীন, উগান্ডার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।গতসপ্তাহে কাম্পালার উপকণ্ঠে একটি আবর্জনার পাহাড়ের বড় অংশ ভেঙে পড়ে। আবর্জনা ফেলার স্থানটির পাশেই কয়েক ডজন ঘরবাড়ি ছিল। সেখানে বেশ কয়েকজন ঘুমন্ত মানুষ আবর্জনার চাপে পড়ে প্রাণ হারান।